আমার মামার বাড়ির উঠোন পেড়িয়ে,
নুড়ি কাকড়ের রাস্তা বয়ে ,
খানিকটা আগোছালো হেঁটে ...
যেখানে শেষ হয়েছে গন্তব্য,
সেখানে ঠায় দাড়িয়ে আছে সে।
কটা গাঁটে মোচর ধরেছে?
কত গুলোই বা যুগসন্ধি দেখা হয়ে গেলো
হিসাব নিকাশ নেই..
যতদুর আকাশে চোখ যায়
তার চেয়েও আরও খানিকটা বেশি
পৌঁছে গেছে সে।
দিনের বেলা গরু ছাগল চড়ে,
বাতাস বুঝি সুড়ঙ্গ কেটে
ভেদ করতে চায় নৃগুড় সত্যি....
ছেলেপুলের দল সাইকেলে আসে যায়
খুচরো নেশা সস্তা প্রেমের বুলি ওড়ায়।
এক সুখী কাঠবেড়ালি কোটড় থেকে
লুকোচুরি খেলে.. ......
এরপর রাত হলে সবাই যখন
নিজের লোকের আশ্রয় পায়
আমি জানলা দিয়ে দেখি
পৃথিবী ক্রমে ক্রমে দূরে সরে যায় ওর
যে সবুজ গুলো গলায় গলায়
জড়িয়ে ছিল বলে ভুল হয়
তারা তফাৎ যায়
রাস্তা ছোটে উল্টোদিকে
ছোটছোট মানুষের খুপড়ি গুলো
ঘাপটি মেরে পড়ে থাকে
যেন কিছুই হয়নি
আরও রাত বাড়লে দেখি
যে ডালের শেষ পাতাটা আমার চোখ
নাগাল পায়না
তাকে ছুঁয়েছে রুপোলি চাঁদ
চিক্চিক্ করছে ওর বুকের কনাকনা সবুজ
প্রতিটা শিরা ঊপশিরার জাল কিলবিল করে উঠে
প্রমাণ দিচ্ছে জীবনের...দেখি আষ্টেপিষ্টে বাঁধা প্রাণ
ঠিক যেমন জড়িয়ে আছে আমার হৃৎপিণ্ডে !
এভাবেই একলা দাড়িয়ে ও,
নিবিড়ে ভেজে একাকীত্বে.......দিনদিন প্রতিদিন।

No comments:
Post a Comment